স্যোদারওসেন্‌সে ঝড় বৃষ্টি রোদ


ঋতায়ন চট্টোপাধ্যায়এই জাতীয়উদ্যান তেমনই এক বৃদ্ধের কবর। এখানকার মাটির গর্ভে লাভা ঠান্ডা হয়ে আছে ব্যাসল্ট শিলায়। সেই সমাধিতে চাপানো ছিল হিমবাহের চাদর। হিমবাহ যেদিন গলে গেল, হারিয়ে গেল, সেদিন ব্যাসল্টের ওপর জমলো কাঁকড়ের বোঝা। ক্রমে তার ওপর ধুলো, আর তার ওপর মাটি। গজিয়ে উঠলো ফার্ণ, গুল্ম, ক্রমে অরণ্যানি।

 

জুনের শেষ। সুইডেনে গরম পড়ে গেল। আর এই গরম তো আরামের। শীত যেমন ক্লান্তিকর, গরমের দিন তেমনই ফুরফুরে। ১৬-১৭ ঘন্টা বেলা। লম্বা গোধূলী। তির্যক রশ্মি ধীরে-সুস্থে নানা রঙের খেলা খেলছে মেঘের শরীরে। মধ্যাহ্নের তাপমান ৩০-এর কোঠা ছুঁইছুঁই। রাত ন’টা পেরিয়ে সুয্যি যখন ছোট্ট তন্দ্রার বিরতি নেবে, তখনও ২০-র একটু কম। এই রোদের জন্য কেমন মুখিয়ে থাকেন স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মানুষ? এই দীর্ঘ অপর্যাপ্ত রোদ? লার্‌সের মুখে একবার শুনেছিলাম, উত্তরে মানুষ এই রোদকে এমন চোখে হারান, যে রাত জেগে, রাত মানে ঝক্‌ঝকে রোদেলা রাত বাগানে কাজ করে কাটিয়ে দেন, রোদটাকে ফেলবেন না বলে। উত্তরে মানে সুইডেনের উত্তরে, নরওয়েতে। এখানকার একটা ব্যাপারে কলকাতায় আশৈশব কাটানো মানুষের, অর্থাৎ আমার খট্‌কা লাগে। কলকাতার গরমে কাজ করা কষ্ট, প্যাচপ্যাচে ঘামে গায়ে লেপ্টে থাকে জামাকাপড়, স্কুল কলেজে গরমের ছুটি পড়ে। সেই হিসেবে এখানকার শীতের দিন অনেক কষ্টের। এখানে শীতকালে মানুষ কাজ করেন। তীব্র ঠান্ডায় রাত থাকতে অফিস যান, ফেরেনও রাতে। শীতে তো বেলা ছোট হতে হতে দিন থাকে না প্রায়। যেদিন সূর্য উঠতে পারে মেঘ কুয়াশার কম্বল ঠেলে, চার-পাঁচ ঘণ্টার নড়বড়ে দিন অফিসেই ফুরিয়ে যায়। তবু তেমন একটা ছুটি নেয় না কেউ। আর গরম না পড়তেই রোজ-মারি, আমাদের বিভাগের কোয়র্ডিনেটর আমাকে ডেকে জানিয়ে দিলেন, গ্রীষ্মকাল আসছে, সবাই ছুটি নেবে, তুমিও কিছুদিন ছুটি নিও, এই চমৎকার মরশুমে বেড়িয়ে এস কোথাও। অস্ফুটে বলে ফেলি, ব্যপারটা উল্টো। আমরা ছুটি পেতাম বাড়ির মধ্যে কাটাবার জন্য। আপনারা, বাড়ির বাইরে বেরিয়ে পড়ার জন্য।

বাস থেকে নামতেই চোখ আটকে যায়

সেদিন ছুটি নিইনি। একটু আগে আগে, সাড়ে তিনটে নাগাদ বেরিয়ে পড়েছি কাজ সেরে। বাড়ি না ফিরে ঠিক করেছি যাব স্যোদারওসেন্‌সে। লিং, আমার পাশের ঘরে যে চিনা ছাত্রটি বসে, কথা ছিল ও আর আমি যাব। লিং কী একটা কাজে আটকে পড়ল! ঠিক যখন করেই ফেলেছি, তখন একাই বেরিয়ে পড়লাম। লুন্দের উত্তরে স্যোদারওসেন্‌স জাতীয়উদ্যান। লুন্দ থেকে ট্রেনে স্টিয়েহগ্‌স, সেখান থেকে ক্লিপ্‌পান যাওয়ার বাস ধরে খ্যারালিড ন্যাখুনালপারকেন বাসস্টপে যখন নামলাম, তখন পুব আকাশ জুড়ে কালো মেঘের ঘন আস্তরণ। কুচ্‌কুচে অ্যাসফেল্টের রাস্তা পাড়ি দিচ্ছে তার সমান্তরালে। পশ্চিম আকাশ থেকে শেষ দুপুরের সূর্যের বাঁধভাঙা হাসি। ঠিক তার মাঝ দিয়ে নাটিউরুম ভিসিটর সেন্টার পেরিয়ে ঢুকে পড়লাম খ্যারালিড উপত্যকার বিস্তীর্ণ সবুজ গালিচায়। ঠিক সাজিয়ে রাখা কোনও রূপকথার প্রান্তর।

উল্টোদিকে ঝলমলে রোদ

সবুজ ঘাসে ঢাকা মাঠ শেষ হয়েছে জলাশয়ের কিনারায়। সেই সবুজের বুকে অবধারিত ভাবে দুধসাদা রাজহাঁসের আনাগোনা। মেঘে ঠিকরে আসা রোদ ঝলমল করছে তাদের ডানায়। আমাদের বাংলাদেশের তরুলতা সবচাইতে সবুজ কি না সে অন্য কথা, কিন্তু সাত সাগর দূরের এদেশেও জলে সেই মরাল চলে, মরালী তার পিছে পিছে।

জাতীয়উদ্যানে স্বাগত

মাঠের ওপর দিয়ে, খ্যারডামেন জলাশয় আর ঘাস জমির সীমানা বরাবর একটু হাঁটতেই দেখতে পেলাম পাটাতন পাতা পথ, চলে গিয়েছে গাছপালা ঢাকা জলাশয়ের আর এক কিনার ধরে। পথের ধারে গাছের গায়ে হলুদ আর নীল প্রতীক। বিনা গাইডে, বিনা অস্বস্তিতে হারিয়ে যাওয়ার আয়োজন। কাঠের রেলিং আর পাটাতন পাতা পথ ধরে কেউ চলে যেতে পারেন হুইলচেয়ার নিয়েও।

সবুজের গালিচা পেরিয়ে খ্যারডামেন জলাশয়ের ধার দিয়ে হাঁটা-পথ

সেই পথে একটু হাঁটলে চোখের সামনে থেকে উধাও হবে নাটিউরুম ভিসিটর সেন্টারের বাড়ি, কী ঘাসজমি। চারপাশে বিচ, ওকের জঙ্গল। মসের সোয়েটারে ঢাকা তাদের গা। বিশাল তরুর নুয়ে পড়া কোনও শাখা, আর তাকে জড়িয়ে থাকা লতার আড়াল থেকে খ্যারডামেনের ঝিম ধরে থাকা জল আর জল। শ্যাওলার আস্তরণ অবিন্যস্ত তার কোথাও কোথাও। খ্যারডামেন যার নামের মধ্যেই বাঁধ কাটার কথা, একটি মানুষের তৈরি হ্রদ। স্থানীয় নদী, খ্যারওনকে ড্যাম বানিয়ে এখানে স্থায়ীভাবে বেঁধে রাখা হয়েছে।

জলাশয়ের ওপারে ফেলে আসা নাটিউরুম ভিসিটর সেন্টার

কিছু দূর এগনোর পর খ্যারডামেন অদৃশ্য হল। কাঠের পাটাতন সরু হতে শুরু করল। কোথাও আড়াআড়ি পড়ে আছে নীরস তরু-কান্ড। সূর্যের আলো চাপা পড়েছে বনের ঘনত্বে। একটি ছোট সুইডিশ হাইকারের দল উল্টোদিক থেকে এসে দু’-চারটে কথা বলে চলে গেল। দলে একমাত্র ক্ষুদে সদস্যটির গলার আওয়াজ বনপথে কিছু সময় অনুরণন তুলে মিলিয়ে যাওয়ার পর এসে পড়লাম সেইখানে, যেখানে ঝর্ণার জলের আস্বাদ দিতে গুছিয়ে রাখা আছে পাত্র, অচেনা পথিকের জন্য। তার ঠিক নীচেই পাথর খোলা জলাধার। আর একটু এগোলে নীল লাইন আর হলুদ লাইন আলাদা হয়ে গিয়েছে। সন্ধে হতে কত দেরি সেটা আঁধারি বনের মধ্যে বোঝার উপায় নেই। ঘড়িতে দেখলাম অন্ধকার নামতে এখনও ঘন্টা খানেক বাকি। অতএব আমি উঠছি কোপপারহাততেন, স্যোদারওসেন্‌স জাতীয়উদ্যানের সর্বোচ্চ বিন্দুতে। ধরবো হলুদ লাইন।

বনপথ, নীল আর হলুদ লাইন ধরে

দক্ষিণ-পূর্ব থেকে উত্তর-পশ্চিমে র‍্যোসতওংগা থেকে অসতর্‌প পর্যন্ত বিস্তৃত যে শৈলশিরা সুইডেনের দক্ষিণের স্ক্যোনা প্রদেশকে আড়াআড়ি কেটে গিয়েছে, স্যোদারওসেন্‌স জাতীয়উদ্যান তারই অংশ। স্ক্যোনা প্রদেশের মৃত আগ্নেয়গিরিরা এই উচ্চতার উৎস। তারা বেশিরভাগই স্ক্যোনস্‌কা ডিয়াগোনালেন বরাবর। এই জাতীয়উদ্যান তেমনই এক বৃদ্ধের কবর। এখানকার মাটির গর্ভে লাভা ঠান্ডা হয়ে আছে ব্যাসল্ট শিলায়। সেই সমাধিতে চাপানো ছিল হিমবাহের চাদর। হিমবাহ যেদিন গলে গেল, হারিয়ে গেল, সেদিন ব্যাসল্টের ওপর জমলো কাঁকড়ের বোঝা। ক্রমে তার ওপর ধুলো, আর তার ওপর মাটি। গজিয়ে উঠলো ফার্ণ, গুল্ম, ক্রমে অরণ্যানি।

হলুদ রেখার সঙ্কেত ধরে পাহাড় চড়া

খাড়াই ধার বেয়ে উঠে পড়েছি কোপপারহাত্‌তেনে। বেশ তাড়াতাড়িই উঠে এসেছি। আধো অন্ধকারে পাছে রাত হয়ে যায়, রাস্তা হারাই সেই ভয়ে। পথে চোখে পড়েছে মানুষের তৈরি পরিত্যক্ত পাঁচিল। তার কোনও কোনওটা নাকি এত প্রাচীন যে, তারা লৌহ যুগে তৈরি! অপেক্ষাকৃত নতুন দেওয়াল-ভাঙাও আছে। সপ্তদশ শতাব্দীর স্ক্যোনস্‌কা ক্রিগেট, স্ক্যোনা প্রদেশের দখল নিয়ে সুইডেন-ডেনমার্কের যুদ্ধের স্মৃতি নিয়ে কাল কাটাচ্ছে তারা, বা আরও পরের কোনও কিছুর। এই যেমন কোপপারহাত্‌তেনের মানে তামার টুপি। এর সঙ্গে লেগে আছে যুদ্ধের সময়ের এক কাহিনি। একজন স্নাপহনারের মেয়ের ওপরে এক সুইডিশ সেনার জোর খাটানোর আখ্যান। স্নাপহনাররা ছিল ডেনমার্কের সমর্থনে স্থানীয় গেরিলা। ঘটনাটা ঘটে শৈলশ্রেণীর সর্বোচ্চ বিন্দুতে, যেখানে দাঁড়িয়ে আছি। নিজেকে বাঁচাতে মেয়েটি সৈন্যটিকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিতে গেলে, সেনাটি তাল সামলাতে না পেরে, খাড়া ঢাল বরাবর গড়িয়ে যায়। সৈনিকের তামার টুপিটি মাথা থেকে স্খলিত হয়ে এই সর্বোচ্চ বিন্দুতে আটকে থাকে।

গাছের গায়ে

কোপপারহাত্‌তেন পৌঁছতেই বনের আড়াল ঠেলে বেরিয়ে এল পাহাড় ঘেরা খ্যারালিড উপত্যকা, বুকে তার খ্যারডামেনের জল। সে জলকে আজলা দিয়ে ধরে রেখেছে প্রাচীন পাহাড়েরা। তাদের গায়ে পুরনো জীর্ণ ফারকোটের মত আদিম বনভূমি। আর তা ছিন্ন করে পাহাড়ের বেয়াব্রু বুক উন্মুক্ত হয়েছে অনেকখানি। সেখানে নরম প্রস্তরচূর্ণ সাড়া দিয়েছে অভিকর্ষের আমন্ত্রণে। আরেকদিকে জলের পরে যে ডাঙা সে আদিগন্ত বিস্তৃত স্ক্যোনার ঢেউ খেলানো সমতল, যেখানে সমুদ্রের বাতাস ইচ্ছেমতো ছুটতে থাকে, ঘোড়ার পিঠে সুইডিশ তরুণীর মতো। সে সমতল বাংলাদেশের নিস্তরঙ্গ পলিতে গড়া নরম মাটির নয়।

পাহাড়ের গায়ে ভূমিধ্বস

একটু জিরিয়ে নেওয়ার বা অগোছালো ভাবনায় হারিয়ে যাবার বিশেষ অবকাশ দিল না সেই পুবের মেঘ। এই ফাঁকে সে ছেয়েছে সারা আকাশ। বাংলাদেশের কালবৈশাখীর মতোই ধেয়ে এল। ঝড়ের মধ্যে অন্য পথে, সংক্ষিপ্ত পথে নামতে থাকি। আসার পথে আড়াআড়ি পড়ে থাকা গাছের গুড়ির কথা মনে পড়তে লাগল। এইরকম কোনও ঝঞ্ঝাই তো তাদের নামিয়ে এনেছে মাটির শয্যায়। ঝড়ের দাপটে পথের পাশের উঁচু গাছগুলোর সে কী দুলুনি! কোন আচ্ছাদনও নেই কোথাও। তারমধ্যেই একজন বাইকার সেই পথ বেয়েই খাড়া উঠে আসছে সাইকেল চেপে। শুধু হাত নেড়ে চলে এলাম। দুই জনে তখন দুইমুখো প্রাণপনে। যখন নেমে এসেছি ভিসিটর সেন্টারের আরেকদিকে, তখন আর ঝড় নেই, নেই ঝিরঝির বৃষ্টিও। শেষ রোদের মিস্টি হাসিতে রূপসী জাতীয়উদ্যান তখন বিদায় দিচ্ছে আধভেজা বুনো ফুলের পাপড়ি মেলে।

ঢাল বেয়ে নেমে আসা ভিসিটর সেন্টারের অন্য দিকে

সন্ধের ট্রেনে চেপে লুন্দ ফিরছি। কলকাতা থেকে ফোন, বললাম, বেড়াচ্ছি, গরমের ছুটি। উত্তর এল, ওখানেও গরমে ছুটি! শীতে ছুটি থাকে না? নেটওয়ার্ক কেটে কেটে যাচ্ছে। একটু উঁচু গলায় বললাম, আগে ছুটি পেতাম বাড়ির মধ্যে কাটাবার জন্য। এখন, বাড়ির বাইরে বেড়িয়ে পড়ার জন্য।

শব্দ ও ছবি: ঋতায়ন চট্টোপাধ্যায়


লেখকের পরিচয়: পেশায় পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক ঋতায়নের বাড়ি কলকাতায়। গবেষক হিসেবে উপকরণ-বিদ্যা নিয়ে কাজ করা ঋতায়ন ভালোবাসেন নতুন জায়গায় নতুন মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে, তাঁদের সংস্কৃতিকে জানতে। এমনি বেড়ানো হোক, কিংবা কর্মসূত্রে ভ্রমণ– সব কিছুই ঋতায়নের কাছে পৃথিবীর আরও একটু কাছাকাছি পৌঁছনোর রাস্তা।

Email: ritayanchatterjee@gmail.com

12 thoughts on “স্যোদারওসেন্‌সে ঝড় বৃষ্টি রোদ

  • July 16, 2019 at 3:48 pm
    Permalink

    অনেক সুন্দর এবং সাবলীল লিখা। পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিলো প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যাচ্ছি। লেখক সুইডিশ জাতীয় উদ্যানের প্রাকৃতিক সোন্দর্য্যকে এমন ভাবেই তার লিখার মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন। লেখকের জন্য শুভ কামনা।

    Reply
    • July 16, 2019 at 4:29 pm
      Permalink

      অনেক ধন্যবাদ। দীর্ঘদিনের সুইডেনপ্রবাসী মানুষ অভিজ্ঞতার সাথে মিল পাচ্ছেন, এটা অন্যরকম তৃপ্তি দিল

      Reply
  • July 17, 2019 at 11:12 am
    Permalink

    সুন্দর সাবলীল টানটান লেখা। ছবির সাথে অপরূপ বর্ণনা।

    Reply
    • July 17, 2019 at 12:43 pm
      Permalink

      তোমার ভাল লেগেছে জেনে উৎসাহ পাচ্ছি

      Reply
  • July 17, 2019 at 4:06 pm
    Permalink

    খুব ভালো লিখেছেন l মন ভরে গেলো l

    Reply
    • July 17, 2019 at 6:05 pm
      Permalink

      ধন্যবাদ আপনাকে

      Reply
  • July 18, 2019 at 9:16 am
    Permalink

    যেমন সুন্দর ছবি তেমন সাবলীল লেখা। খুব ভাল লাগল। আরও ভাল ভাল লেখার অগ্রিম শুভেচ্ছা জানাই।

    Reply
    • July 18, 2019 at 10:41 pm
      Permalink

      বিদগ্ধ পাঠকের উৎসাহ বিশেষ প্রাপ্তি

      Reply
  • July 18, 2019 at 11:18 am
    Permalink

    প্রায় দেড়শ বছর আগে যে ভাষায় পালামৌ লেখা হয়েছিলো, সেই ভাষায় ভ্রমনসাহিত্য এখনো সেইভাবে পরিপূর্ণতা লাভ করেনি। বাংলা সাহিত্যের এ এক বিস্ময়। কিন্তু যখন ঋতায়নের মতো লেখকদের এসব ছোটো ছোটো মনিমুক্ত দেখি মনটা ভরে যায় বইকি। ভ্রমি বিস্ময়ে। পড়ি আনন্দে।

    Reply
    • July 18, 2019 at 11:10 pm
      Permalink

      এই ভাষার সাহিত্যে যে মণি-মুক্তোর প্রাচুর্য, তাতে কলম ধরা এক অন্যরকম দুঃসাহস। নয়নের মতো পাঠক (যে নিজে লেখেও চমৎকার) সঠিকভাবে সেটা মনে করিয়ে দিয়েছে। ভাল পাঠকের ভাললাগার মত লেখার শক্তি অর্জনের চেষ্টা করব

      Reply
  • July 20, 2019 at 10:41 pm
    Permalink

    খুব প্রাণবন্ত লেখা ….শুভাকাঙ্খা আর প্রত্যাশা রইলো ….

    Reply
    • July 22, 2019 at 11:28 am
      Permalink

      অনেক ধন্যবাদ

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *