মিডসোমার, যে গ্রীষ্ম ডালে ফুল ধরার, আরামের


ঋতায়ন চট্টোপাধ্যায়রোদ আর গরম কোনও বিরক্তিকর শব্দ নয়, বড় মধুর তারা, বুঝতে পেরেছি। গরম কাল কোনও কষ্টের মরসুম না, বছরের সবচেয়ে আনন্দের সময়, ভাবতে শিখে গেছি তত দিনে।

লুন্দের গ্রীষ্ম

রমের দেশের মানুষ আমি। আলসেমি মোড়া এক শীতের সকালে, জানালার ফাঁক দিয়ে কলকাতার রাস্তায় বরফ পড়তে দেখবো, এরকম একটা কিছু কষ্টকল্পিত, কিন্তু সুখস্বপ্ন আমাদের কাছে। জানালার সার্শির দিকে চোখ গেলে, আসলেই যদি বাইরের আধো অন্ধকারে সবদিক শুধু বরফ আর বরফে মোড়া হয়– এবং সেটা যদি হয় রাতের না, মধ্য দিনের অন্ধকারে! …সপ্তাহ কেটে যায়, দুপুরেও দেখতে পাই না সূর্যের মুখ। সংক্ষিপ্ততম দিনের পড়ে পাওয়া রোদ ঘুমিয়ে থাকে মেঘের কাঁথায়। ঝিমানো আলোতে বাইরে যেটুকু ঠাহর হয় তা ব্যপ্ত বৈধব্য বেশ… সুইডেনের দক্ষিণ প্রান্তে লুন্দ শহরে আমার প্রথম শীতকাল। সবে সেপ্টেম্বরে এসেছি এদেশে। ডিসেম্বর এগোতেই দিন ছোট হতে হতে প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে। অনুভব করতে শুরু করেছি বরফ পড়া, পড়তে থাকা সবসময় খুব খুশির না। বেশিরভাগ সময়ই না। লার্‌স, আমার বাড়িওয়ালা ক্রিসমাসের ছুটিতে ট্যুরে যাওয়ার আগে সতর্ক করে গিয়েছেন, ঋতায়ন, একা একা থেকো না। মন খারাপ হলেই বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মারতে চলে যেও।  পার্টি কোরো। খুব খারাপ লাগলে দক্ষিণে, মানে ইউরোপের দক্ষিণে কোথাও বেড়াতে চলে যেও। পরে মনে হয়েছে, সত্যি কেন যাইনি! শীতের হাড়-কাঁপানি লাগেনি তেমন। বাইরে মাইনাস কুড়ি ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামলেও, ঘরের মধ্যে তো চমৎকার উষ্ণতা। কিন্তু, একঘেয়ে অন্ধকার, আর একঘেয়ে বরফ! কী অদ্ভুত ক্ষমতা তাদের বিষণ্ণতায় ডুবিয়ে দেওয়ার হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। রোদ আর গরম কোনও বিরক্তিকর শব্দ নয়, বড় মধুর তারা, বুঝতে পেরেছি। গরম কাল কোনও কষ্টের মরসুম না, বছরের সবচেয়ে আনন্দের সময়, ভাবতে শিখে গেছি তত দিনে।

কুলতুরেন

এপ্রিল-মে থেকেই দিন বড় হতে হতে জুনে এসে রাত ন’টা পর্যন্ত তির্যক সূর্যের রঙ বাহার। যারা গাড়ি চালায়, তারা অবশ্য এত বাঁকা আলোতে মুশকিলে পড়ে। আমি দিব্যি সম্মোহিত হতে থাকি ইউনিভার্সিটি থেকে ফেরার পথে বাস, সাইকেল বা বন্ধুর গাড়িতে, নয়তো প্রায়শই হেঁটে, দীর্ঘ গোধূলীর অবিন্যস্ত ইজেলে চোখ রেখে। অবশ্য আমি এখানকার মানুষের মতো দুপুরবেলার রোদে মাঠে কি রোয়াকে শুয়ে থাকতে অভ্যস্ত হইনি। সূর্যস্নাত হওয়ার কোনও আগ্রহই আমাকে পেয়ে বসেনি।

কুলতুরেনে মিডসোমার

কড়া শীতে তেমন কোনও শীতের ছুটির চল নেই এদেশে। কিন্তু মনোরম গরমে অন্তত একমাস করে ইউনিভার্সিটি থেকে সবাই ছুটি নেয়। জুনের মাঝামাঝি থেকে অগস্টের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময়টা বেড়ানোর সময়। বাস, ট্রেনে ভাড়ার ওপর গ্রীষ্মকালীন ছাড়। কাছাকাছি সমুদ্র সৈকতে, জাতীয় উদ্যানে বেশি বেশি মানুষের আনাগোনা। আমি টানা ছুটি না-নিলেও, অফিস ছুটির পরে প্রায়ই চলে যাচ্ছি এদিক সেদিক। চারটেতে ছুটি হয়, আর সাড়ে আটটা-ন’টা পর্যন্ত পাচ্ছি চমৎকার রোদ্দুর।

কুলতুরেনে মিডসোমার

জুনের মাঝামাঝি একদিন একটু তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরেছি। যেহেতু আমি খুব একটা সময়মতো ফিরছি না আজকাল, আর লার্‌সও প্রায় সন্ধেতে কোথাও না কোথাও পার্টির নিমন্ত্রণ পাচ্ছে, দেখা হচ্ছে কম। কথা সংক্ষেপে। সেদিন দু’জনেই সন্ধে না পেরোতেই বাড়িমুখো হওয়ায়, অনেকদিন পর কফি নিয়ে বাগানে বসলাম। লার্‌স জানতে চাইল, আগামী শুক্রবার কি করছ? …বিশেষ কিছুই না। কেন? …উনিশ থেকে পচিশে জুনের মধ্যের শুক্রবার মিডসোমারাফ্‌টন। সুইডেনের জনপ্রিয় ঐতিহ্যের উৎসব মিডসোমার। গ্রীষ্মকালকে, জমিতে ফসল ফলানোর ঋতুকে নেচে-গেয়ে, পান-ভোজনে স্বাগত জানিয়ে আসছে সুইডিশ নারী-পুরুষ অনেক কাল থেকে। আগে চব্বিশে জুন মিডসোমারের দিন ছিল। বাহান্নতে সুইডিশ পার্লামেন্ট ঠিক করে, মিডসোমারের দিন সবসময় সপ্তাহান্তে ফেলা হবে। সুতরাং ২৬ জুনের আগের শনিবার মিডসোমাদগ। লুন্দে আসার পর ক্রিসমাস বা ইস্টারে সেরকম উন্মাদনা দেখিনি। অন্তত আমি বুঝতে পারিনি।

কুলতুরেন মিউজিয়ম

অন্য মজাগুলোতেও লুন্দে ছাত্র-ছাত্রীদেরই বেশি দেখেছি। এখানে প্রচুর আন্তর্জাতিক ছাত্র থাকায়, ব্যাপারগুলো আর ঠিক বিশুদ্ধ সুরে বাধা থাকেনি। লার্‌সের কথায় তাই বেশ উৎসাহ পেলাম। প্রকৃতি মোটেই খুব বন্ধুত্বপূর্ণ না এখানে। আর তাই বোধহয় প্রকৃতির কোলের দুর্লভ ওম পেতে সুইডেনের মানুষের এত টান। মিডসোমারের আগের রাত ঘিরে অনেক রূপকথা। কড়া অ্যালকোহলের মোহিনী টেনে বের করে আনে অনেক প্রিয়-অপ্রিয় সত্যি। একূল ভাঙে, ওই কূল গড়ে… সুইডিশ মেয়েরা লবণাক্ত জাউ খায়। সাত রকমের ফুল তুলে আনে। বালিশের নীচে চাপা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। সেই পুরুষ আসে, যে দেবে তৃষ্ণার বারি। ফার্ণ পরিণত হবে ফুলে। জল ওয়াইনে… সে রূপকথা রূপকথাই।

কুলতুরেনে মিডসোমার

কিন্তু মিডসোমারের আসল উদ্‌যাপন তো গ্রামে। লুন্দে কি সেই স্বাদ পাব? …চলো না আমাদের সঙ্গে মগলেহেমে, লার্‌সের দরাজ নিমন্ত্রণ। মগলেহেমে লার্‌সের সোমারস্ট্যুগা, গ্রীষ্মবাস। সমুদ্রের কাছে সবুজ ঘেরা, আগে ছিল জেলেদের গ্রাম। এই রকম একটা জায়গায় মিডসোমার! ভিনিগারে জারানো হেরিং মাছের কিছু একটা পদ, তা সে সর্ষে হেরিং হোক, বা হেরিং পিয়াজা, কি হেরিঙের ঝাল টাটকা আলু সিদ্ধ দিয়ে, বা ভদ্‌কায় চোবানো তরমুজ, সঙ্গে ক্রিমে ভাসতে থাকা স্ট্রবেরি কি লিঙ্গনবেরি! লুফে নিতাম লার্‌সের কথা, যদি না সেই শুক্রবারেই দরকারি কাজে লুন্দে আমি আটকে যেতাম। অগত্যা, লুন্দেই থাকতে হবে। সমস্ত মজাই মাটি। …মাটি কেন হবে? তুমি কুলতুরেন চলে যেও। ১৩০ বছর বা তারও আগেকার কৃষিনির্ভর স্ক্যোনা প্রদেশের গ্রাম,  তার বাড়ি-ঘর, খামার, ঘরের আসবাবপত্র সমেত লুন্দ ক্যাথিড্রালের কাছে অনেকখানি জায়গা জুড়ে সংরক্ষণ করা আছে এখানে, কুলতুরেন মিউজিয়মে। বড় এক টুকরো প্রাচীন সুইডেন, মধ্যযুগের গ্রামীন সুইডেন বাঁধা আছে লুন্দ নগরীর অলিন্দে।

কুলতুরেনের পাশে প্রাচীন ছাত্রাবাস

মিডসোমারের দিন সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার। ঝিরি ঝিরি বৃষ্টিকে পাত্তা দিলে স্ক্যান্ডিনেভিয়াতে কোনও কাজে বেরনো যাবে না কোনদিনই। আর এ তো বাংলার ভরা শ্রাবণের ধারাস্নান নয়। জ্যাকেটের খোলস ভেজানো ঝির ঝিরানি। বাড়ি থেকে দু’পা হাঁটলেই কুলতুরেন। কিন্তু পাঁচিলের উল্টোদিকে একটা অন্য পৃথিবী। সেখানে, ঘাসে ঢাকা মাঠের মাঝে দাঁড় করানো হয়েছে মিডসোমারস্টৌঙ্গ, ফুলে ঢাকা দীর্ঘ দন্ড, যার মাথায় বাধা হয়েছে পুষ্পবলয়।  মাঠের একধারে অস্থায়ী আচ্ছাদনে গিটারে, অ্যাকর্ডিয়ানে সুর তুলেছেন শিল্পী। আর তারপর গান ধরলেন গায়ক দল। কী গান? ব্যাঙ বিষয়ক সঙ্গীত। আর গান শুরু হতেই হাত ধরাধরি করে তৈরি হয়ে যাওয়া মানববন্ধনের স্টৌঙ্গ ঘিরে দুলে দুলে নাচ শুরু হল।

কুলতুরেন মিডসোমারে ব্যাঙের গান

মেয়েরা মাথায় বেধেছে ফুলের বলয়, কেউ কেউ ঝলমলে জামা, কেউবা রোজকার একঘেয়ে জিন্স। মায়ের হাত ধরে বাচ্চারা। বাবার কোলেও। কেউ কেউ জড়িয়েছে বর্ষাতি। তবে বেশিরভাগ এই বৃষ্টিকে পাত্তাই দিচ্ছে না। মুখচোরা কেজো মানুষেরা গল্প করছে চিৎকার করে, হুটোপুটি খাচ্ছে, শিস দিচ্ছে। হাতে হাত বেধে নেচে নেচে স্বল্পস্থায়ী গ্রীষ্মকালকে আঁকড়ে ধরছে, ভালবাসা জানাচ্ছে। ফলবতী হতে দেখছে কর্ষিতা মাটিকে। হকচকিয়ে যাওয়া বাচ্চারা কেঁদে উঠছে, পরে পা মেলাচ্ছে হাত ধরে নাচের তালে। জারিত হচ্ছে বাপ-দাদার সময় থেকে চলে আসা ভাব-ভালোবাসায়।  কেউ কেউ উঠে যাচ্ছে অধৈর্য মা-বাবার কাঁধে। বিয়ারের গন্ধ মিশছে জলে ভেজা মাটি আর পায়ে দলা ঘাসের সুঘ্রাণে। এর মাঝে সবাই মাতাল হয়ে যায়নি মোটেই। ছাতায় ক্যমেরাকে আড়াল করে ছবি তুলতে ব্যস্ত ফুল জড়ানো তরুণী। শষ্য বা আলু থেকে পাতন করে বানানো কড়া অ্যালকোহল শট তার ক্যামেরা ধরা আঙুলকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে তার অজান্তেই!

কুলতুরেন মিউজিয়ম

নাচ-গান শেষ হলে ঘুরে দেখলাম মিউজিয়ম। খামার বাড়ি, কাঠের নৌকো, সুইডিশ মেয়েদের প্রিয় ঘোড়া কাঠপুতুলিতে। কাঠের আসবাব, পুরনো খাট-বিছানা, ফায়ার প্লেস, গেরস্থালীর টুকিটাকি, ধাতুর সিন্ধুক। প্রাচীন গয়না, বৈশিষ্টযুক্ত সুইডিশ কাঠের জুতো। আর সেই ঐতিহাসিক ল্যান্ডমার্ক, ডেকানহুসেট, ১৯০৮ সালে লুন্দ কুলতুরেনে সরিয়ে নিয়ে আসা ডিনের একটি অবিকৃত মধ্যযুগীয় বাড়ি। তারমধ্যেই মালমো থেকে নতুন বন্ধুদের ডাকাডাকি শুরু হয়েছে। মিষ্টি জেলি মাখানো একগাদা মাংস নিয়ে। মিষ্টি মিশিয়ে মাংস খাওয়ার সুইডিশ ট্রাডিশন পরখ করে দেখতে চায় কাছাকাছি বয়সের প্রবাসী বাঙালী ছাত্র আর চাকুরেরা। বা এইভাবেই লম্বা পার্টির শুরুটা করে ফেলতে চায়। সুইডেনের হৃদয়ের ভেতরে ঢুকে পড়তে হবে হারিয়ে যাবার আগে। আমি কুলতুরেনের অতলান্ত গভীর থেকে বাইরে এসে মালমো যাবার বাস ধরি।

কুলতুরেন মিউজিয়ম

সুইডেনে পাঁচ সপ্তাহের বাৎসরিক ছুটি নেওয়া বাধ্যতামূলক। গরমের দিনেই সবাই ছুটি নেয়। আর মিডসোমারের দিনটাকেই বেশিরভাগ বেছে নেয় ছুটি শুরু করার জন্য। এইদিন বড় পারিবারের সবাই মিলিত হয় গ্রামের বাড়িতে। সামাজিকতার দায়-দায়িত্ব ছুটির শুরুতে মিটিয়ে নিতে। বাকি ছুটিটা যাতে নির্ঝঞ্ঝাটে একান্তে কাটানো যায়। ঈদের পরদিন ঢাকা নগরী দেখেছেন আপনি? আমার চাক্ষুষ করা হয়নি। শুনেছি, ধূ ধূ করে মহানগরীর রাস্তাঘাট। আর সেই অবিশ্বাস্য ছবি বেশ ভালই লাগে অবশিষ্ট ঢাকাবাসীর। মিডসোমারের পর লুন্দ আরও ফাঁকা। এছবি আমার কিন্তু মোটেই ভালো লাগার কথা না। তবে আকাশের রং বাহার আর ফুলে ফুলে ভরে থাকা চত্বর, নাচতে থাকা ফোয়ারায় লুন্দের গায়ে এখন পুলক লেগেছে।

কুলতুরেন মিউজিয়ম

শব্দ ও ছবি: ঋতায়ন চট্টোপাধ্যায়


লেখকের পরিচয়: পেশায় পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক ঋতায়নের বাড়ি কলকাতায়। গবেষক হিসেবে বস্তু-বিদ্যা নিয়ে কাজ করা ঋতায়ন ভালোবাসেন নতুন জায়গায় নতুন মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে, তাঁদের সংস্কৃতিকে জানতে। এমনি বেড়ানো হোক, কিংবা কর্মসূত্রে ভ্রমণ– সব কিছুই ঋতায়নের কাছে পৃথিবীর আরও একটু কাছাকাছি পৌঁছনোর রাস্তা।

Email: ritayanchatterjee@gmail.com

12 thoughts on “মিডসোমার, যে গ্রীষ্ম ডালে ফুল ধরার, আরামের

  • May 12, 2019 at 6:59 pm
    Permalink

    চমৎকার চিত্তাকর্ষক একটুকরো ঘর ছাড়ার আওহ্বান – সুন্দর জায়গা , মানুষ ,আকাশ , রাস্তার দুপাশে ফুলের বাহার , মিডসমার এর প্রকৃতি , নতুন প্রাণের উৎসব লুন্ড যেতেই হবে …… ঋতায়ন, আপনার লেখাটি তার কাজটি করে ফেলেছে l আপনাকে অনেক ধন্যবাদ l

    Reply
    • May 13, 2019 at 4:20 pm
      Permalink

      ধন্যবাদ আপনাকে

      Reply
  • May 13, 2019 at 4:38 pm
    Permalink

    Eii utsaber pranbindu holo nature ba prokriti. Prokriti ke kendro kore eii dharoner utsab sara prithobitei choriye ache vinno nam e, vinno angike, lukiye ache amader khudro chokher arale. Lekhata porchilam r chokher samne chobi hoye vese utchilo amar konodin na dekha sweden er gram er rup, r sei rup kolpe joggo sangot dicchilo chobi gulo,
    Jeno eii utsober sathe relate korte parchilam amar praner banglar gramer ” Nabanno” utsaber ghran ke, Assam er ” Bihu” keo mone korachhilo…

    Reply
    • May 18, 2019 at 5:21 pm
      Permalink

      ভিন্ন প্রান্তের অভিন্ন মানবজাতির আদি উৎসবের একটা চমৎকার সামঞ্জস্য পাওয়া গেল। খুব ভাল পর্যবেক্ষণ

      Reply
  • May 13, 2019 at 9:15 pm
    Permalink

    ঠাণ্ডার দেশের গরমের মতোই একটা মিষ্টি আমেজ আছে লেখাটার। বেশ ভালো লাগলো। ইউরোপ মানে প্রায়ই ঝাঁ চকচকে একটা কল্পনা ভেসে ওঠে চোখের সামনে। কিন্তু এই ইজেলে সারল্যের ছবি আছে।

    Reply
    • May 18, 2019 at 5:25 pm
      Permalink

      চাকচিক্যের আড়ালে অমলিন মাটির টান। ভালবাসা, মিষ্টি মন্তব্যের জন্য

      Reply
  • May 14, 2019 at 8:18 am
    Permalink

    Grishmo je eto sundor hote pare seta kono kono bandhu r kache shunechi… jara bidesh e kormoroto, kintu chakhhush korar soubhagyo kakhano hoyni. Aj ei ghor bharotiyo grishmer modhye bose sedhho hote hote eto sundor European grishmo chakhhush koranor jonyo bishal boro dhanyabad tomake Ritayan da… eto bhalo likhecho je puro ta ekbare pore fellam. Ek suspense thriller chhara sadharanoto erokom bhabe ajkal ar porte pari na… aro aro erokom bhromon kahini chai…

    Reply
    • May 18, 2019 at 5:18 pm
      Permalink

      অবশ্যই লিখব, বিশেষ করে, উৎসাহ দিচ্ছিস যখন

      Reply
  • May 18, 2019 at 7:14 pm
    Permalink

    অনবদ্য লেখাটি এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলা গেল। একটা ভীষণ প্রাণবন্ত উৎসবমুখর জীবনছবি দেখতে পেলাম যেন। মানুষের সাথে মানুষের মিলনের এই সহজ সুন্দর গল্পগুলোই মনের নতুন রসদ জোগান দেয়। লেখকের কাছে এমন আরও অনেক লেখা পাঠক হিসেবে উপহার পাওয়ার প্রত্যাশা রইল

    Reply
    • May 18, 2019 at 8:42 pm
      Permalink

      ধন্যবাদ। অবশ্যই লিখব

      Reply
  • June 4, 2019 at 12:22 pm
    Permalink

    বাহ ! ছোটবেলায় পড়া অনুবাদগুলো মনে করিয়ে দিলো। কিন্ত একটু আলাদা লাগলো, হয়তো ধারাবাহিকতার জন্য – কখন যে ইতিহাস থেকে বর্তমানে কফি টেবিলে চলে এসেছি টের পেলাম পরে গিয়ে । বাকি ঘোরাঘুরিগুলো নিয়ে আবার কখনও লিখলে পড়ে মজা পেতাম। আশায় রইলাম।

    Reply
    • June 4, 2019 at 3:46 pm
      Permalink

      এবার তো লিখতেই হবে…খুব শীঘ্রই লিখছি

      Reply

Leave a Reply to Debolina Das Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *